সুন্দর ফিটনেস? ”প্রয়োজন নিয়মিত জিম”

 

জীবনকে সফল ও উপভোগ্য করতে এবং সর্বোপরি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে ফিটনেস ধরে রাখতে হবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকলে মনও থাকে প্রফুল্ল। মনকে প্রফুল্ল রাখতে এবং কাজে দ্বিগুণ মনোযোগী হতে সকলের ব্যায়ামের বিকল্প নেই।আসলে একে ব্যায়াম না বলে বলতে পারেন নিয়ম মেনে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া অর্থাৎ আমরা সাধারণত যেই কাজ গুলো করি তা যদি নিয়ম মেনে করি তাহলে আমাদের এক্সট্রা ব্যায়াম করা লাগে না।

আমি জানি আমরা সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত আলাদা করে ব্যায়াম করার মত সময় কারো হাতে নাই কিন্তু নিজেকে ফিট রাখার ইচ্ছা সবারই আছে এবং এর জন্য এক্সট্রা পরিশ্রম করতে অধিকাংশই রাজি না …

কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত। তবে কখন করতে হবে আর কখন করা যাবে না, অনেকেই জানেন না।

‘শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়াম করা জরুরি। তবে ব্যায়ামের সময় নিয়ে অনেকেই পড়েন বিপত্তিতে। কেউ হয়তো ইচ্ছা থাকলেও সময় করে উঠতে পারেন না। আবার যখন সময় পান তখন ব্যায়াম করা ঠিক হবে কি না বুঝে উঠতে পারেন না। শুধু নিয়মিত ব্যায়াম করলেই যে শরীর সুস্থ থাকবে, সেটাও না।’
কোন সময়ে ব্যায়াম করা ভালো, আর কখন ব্যায়াম করা ঠিক নয় সে বিষয়ে
পরামর্শ হলো—
 সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর সকালে ব্যায়াম সারা দিন ফুরফুরে রাখতে পারে।
 এ ছাড়া সন্ধ্যার আগে বিকেলটাও ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত সময়। যেহেতু ব্যায়াম করলে শরীরের ঘাম ঝরে, তাই নরম আবহাওয়াতেই ব্যায়াম করা ভালো।
 দুপুরবেলা বা বেশি গরমে ব্যায়াম করলে সহজেই ক্লান্ত মনে হতে পারে। তাই এ সময়ে ব্যায়াম না করাই ভালো।
 অনেকে ব্যস্ততার জন্য সারা দিন সময় করে উঠতে পারেন না, তাঁরা রাতে ব্যায়াম করেন। এতে কোনো সমস্যা নেই।
 যাঁরা সারা দিন বাসায় থাকেন, তাঁরা চাইলে যেকোনো সময় ব্যায়াম করতে পারেন।
 ব্যায়ামের সময় অনেক বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। হালকা খাবার যেমন, একটা কলা বা বিস্কুট খেয়ে ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যাবে।
 সকালে ব্যায়াম করতে গিয়ে অনেকে ব্যায়াম শেষে ভরপেট খেয়ে বাসায় ফেরেন। এতে ব্যায়ামের কোনো উপকারিতা থাকে না।
 যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা বেশি দিনের অবসর কাটালে বা কোথাও ঘুরতে গেলে খাবারের দিকে নজর রাখা উচিত। ঘুরতে গিয়ে বেশি দিন থাকার পরিকল্পনা করলে সুযোগ থাকলে টুকটাক ব্যায়াম করা যেতে পারে।
 ব্যায়াম করার আগে বা পরপরই বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া ঠিক নয়। ব্যায়ামের পর একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর পানি খেতে পারেন।
 খাবারের মেন্যু থেকে যতটা সম্ভব মিষ্টি, কোমলপানীয়, ফাস্টফুড ইত্যাদি খাবার বাদ রাখাই ভালো। কারণ, এসব খাবার খেলে আপনার ব্যায়াম করা বৃথা হয়ে পড়বে।
 নিজে অসুস্থ থাকলে ব্যায়াম করার দরকার নেই। বিশেষ করে গর্ভকালীন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যায়াম করা উচিত নয়।
 যেকোনো ধরনের ব্যায়াম বা ডায়েট পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া উচিত।

 

আর আপনাদের সু-স্বাস্থের কথা চিন্তা করে আমরা আপনাদের নিকটস্থ কোটবাজার এন আলম শপিং কমপ্লেক্স এর সামনে হাজী মার্কেট ২য় তলায় পাওয়ার জীম সেন্টার করেছি।

আগ্রহী সকল বন্ধুদের জানাচ্ছি যে,নিজের স্বাস্থ্যকে আরও আকষর্ণীয় করে তুলতে ভর্তি কার্যক্রমে অংশ নিন।

যোগাযোগ করুন। -০১৮৩১১৮৪২৬৭,০১৮২৯৬০৮৩৮৩

মালিক -পাওয়ার জিম সেন্টার।